শেয়ার বাজার

১৫টি কবরের ওপরের মাটি সরানো, ভেতরের দৃশ্যে এলাকায় তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

১৫টি কবরের ওপরের মাটি সরানো, ভেতরের দৃশ্যে এলাকায় তোলপাড়

পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুরে কবরস্থান থেকে ১৫টি কঙ্কালের হদিস মিলছে না। স্থানীয়দের ধারণা কঙ্কাল চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার খাস আমিনপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে এই ঘটনা ঘটে। 

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকালে বিষয়টি স্থানীয়রা টের পান। এরপর থেকেই কবরস্থানে স্বজনেরা ভিড় করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এই ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

চুরি হওয়া এক লাশের স্বজন মাসুদ রানা বলেন, এটা ভাবতেই অবাক লাগছে। মহাসড়কের পাশে এই কবরস্থান থেকে কঙ্কাল চুরি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। আমাদের দাবি, পুলিশ দ্রুত এই ঘটনা উদঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

আরেক স্বজন জাহিদ হাসান বলেন, এতদিন আমরা দেখে আসছি আমাদের দেশে বেঁচে থাকা অবস্থায় মানুষের নিরাপত্তা নেই। এখন দেখছি মরে গেলেও মানুষের লাশেরও নিরাপত্তা নেই।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, সকালে স্থানীয়রা কবরস্থানে গেলে এ ঘটনা জানতে পারে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ওসি আরও বলেন, কবরস্থানের কবরগুলোর উপরের মাটি সরানো। সেখানে কোনো মরদেহ নেই। কিন্তু চুরি হয়েছে কিনা এটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বিভিন্ন সময়ে কঙ্কালগুলো হারিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

যুবলীগ নেতার বাড়িতে আগুন, মা-চাচির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

যুবলীগ নেতার বাড়িতে আগুন, মা-চাচির মৃত্যু

মৌলভীবাজারে যুবলীগ নেতার বাড়িতে আগুনের ফলে সৃষ্ট ধোঁয়ায় তার মা ও চাচির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে মোস্তফাপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সহ সভাপতি শেখ রুমেল আহমদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার যীশু তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মারা যাওয়ারা হলেন- শেখ রুমেল আহমদের মা মেহেরুন্নেসা (৭০) ও চাচি ফুলেছা বেগম (৬৫)।

মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার যীশু তালুকদার বলেন, আগুনের সময় বাড়িতে থাকা মেহেরুন্নেসা ও ফুলেছা বেগম ধোঁয়ায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাদের মৌলভীবাজার হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্য চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ডুপলেক্স বাড়িটি বিভিন্ন জাতের বোর্ড দিয়ে ডেকোরেশন করা ছিল। বৈঠক খানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে অগুনের ঘটনা ঘটতে পারে।


বিডিআর বিদ্রোহ
'অল্প দিনের মধ্যেই' চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

'অল্প দিনের মধ্যেই' চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বার্তাবেলা ডেস্ক: পনেরো বছর আগে ঘটা বিডিআর বিদ্রোহ সংক্রান্ত বিচার নিয়ে কোনো গাফিলতি নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, “অল্প দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত বিচার শেষ হবে।”

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানীর সামরিক কবরস্থানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা অর্পন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হেডকোয়ার্টার্স (প্রাক্তন বিডিআর হেডকোয়ার্টার্স ) ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি নেই।”

“চূড়ান্ত বিচার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। এটা সম্পূর্ণই বিচারিক কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে;” তিনি যোগ করেন।

গত ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, তিন দিনব্যাপী 'বিডিআর সপ্তাহ' চলার সময়, পিলখানা সদর দপ্তরের দরবার হলে বাংলাদেশ রাইফেলস এর (বর্তমান বিজিবি) কয়েকশ সদস্য সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। তারা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে।

বিএনপির উদ্বেগ

পিলখানা বিদ্রোহ মামলার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রবিবার (২৫ ফেব্রয়ারি) সকালে বনানী সামরিক কবরস্থানে বিদ্রোহের সময় নিহত ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

পরে মঈন খান বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলার রায়ের কথা আমরা শুনেছি; কিন্তু রায়ের অবস্থা কী? রায়ে কি কোনো আপিল হয়েছে? আর, ১৫ বছরেও শুনানি শেষ হয়নি কেন?

''এছাড়া, ২০১১ সালে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করা হয়। কেন এই মামলার বিচার এখনো বিলম্বিত হচ্ছে?” তিনি প্রশ্ন করেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে 'অনেকে জড়িত'

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন যে অনেকে এখানে (পিলখানা হত্যাকাণ্ড) জড়িত ছিলো। এগুলোর তদন্ত শেষ করা একটা বিরাট কর্মকাণ্ড। কাজগুলো শেষ হয়েছে। প্রাথমিক বিচারও হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেয়ার সময় বনানীর সামরিক কবরস্থানে তিন বাহিনীর প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের নিকটজন উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্রোহের একদিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি সরকার ও বিডিআর বিদ্রোহীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেড জমা দেয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে। সেই ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে একটি হত্যা ও লুটপাটের অভিযোগে, বাকিগুলো বিদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা হয়।

হত্যা মামলার বিচারে, ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া, ২৭৭ জন অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পান।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৬২ জন বিদ্রোহীকে তিন মাস থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত, বিভিন্ন মেয়াদে এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

অন্যদিকে, বিদ্রোহের ৫৭টি মামলায় ৫ হাজার ৯২৬ জন বিডিআর জওয়ানকে চার মাস থেকে সাত বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।


মাদক একটি সমাজ ধ্বংসকারী ব্যাধি
মাদক থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। — কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

মাদক থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। — কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি

সীমান্ত কণ্ঠ ডেস্ক::  সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় মাদকবিরোধী ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সামাজিক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ গণমিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশগ্রহণ করেন প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরূপ রতন সিংহ।


সভায় বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, 'মাদক একটি সমাজ ধ্বংসকারী ব্যাধি। যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।'


সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরূপ রতন সিংহ বলেন, 'দোয়ারাবাজার উপজেলাকে মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ সম্ভব।'


সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দোয়ারাবাজারকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সভা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে।