শেয়ার বাজার

"কাচ্চি ভাই" ও ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

"কাচ্চি ভাই" ও ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে লাখ টাকা জরিমানা

অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বুধবার (৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়েন এ আদালত পরিচালনা করেন। তার সঙ্গে আছেন সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান।

এদিকে, এসময় একই অভিযোগে ধানসিঁড়ি নামে আরেকটি রেস্তোরাঁকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সিঁড়ির সামনে মালামাল রাখায় সেভা হাউজ নামে একটি ভবনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই ভবনটি সাততলা।

দুপুর পৌনে একটা পর্যন্ত গুলশান-২ নম্বর এলাকায় অভিযান চলে।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজতে অভিযানে নেমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বেইলি রোডে বন্ধ থাকা সুলতানস ডাইন ও নবাবী ভোজ নামের রেস্টুরেন্ট দুটি সিলগালা করে রাজউক। এছাড়া স্কাই ভিউ নাইটেঙ্গল টাওয়ার নামের ৮ তলা রেস্টুরেন্ট ভবন পরিদর্শন করেন তারা। সেখানে তারা দেখতে পান ৩ মিটার সিঁড়ির বদলে সেখানে রয়েছে ৩ ফিট সিঁড়ি। সঙ্গে রয়েছে ছোট্ট একটি লিফট। এছাড়া ভবনটিতে কোনো ফায়ার এক্সটিংগুইসার দেখা যায়নি। পরে সেখানে ফায়ার সার্ভিস ‘ভবনটি অগ্নি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ লিখে একটি নোটিশ টানিয়ে দেয়।

এছাড়া সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডি, ওয়ারীসহ বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশত রেস্টুরেন্টে একযোগে অভিযান পরিচালনা করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও পুলিশ। এসব অভিযানে বেশকিছু রেস্টুরেন্ট সিলগালা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন রেস্তোরাঁর ১৬ জনকে আটক এবং ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে করা কয়েকটি রেস্তোরাঁ ভেঙে ফেলাও হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, সেই ভবনের প্রথম তলায় ‘চায়ের চুমুক’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত, যা পরে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা তদারকি করতে অভিযান পরিচালনা করছে বিভিন্ন সংস্থা।

রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার ও কারারক্ষি বুনিয়াদি কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার ও কারারক্ষি বুনিয়াদি কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাখিব নিরাপদ দেখাব আলোর পথ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার এবং ৬১তম ব্যাচ কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (১০ মার্চ) সকাল ৯ টায় কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রাজশাহীতে ১৩তম ডেপুটি জেলার এবং ৬১তম ব্যাচ কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারা মহা পরিদর্শক আনিসুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, কারাগারে বসে এখন কয়েদিরা বিভিন্ন পণ্য তৈরি করছেন। বন্দীদের শ্রম কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে সরকার কারা অভ্যন্তরে কয়েদীদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। তাদের উৎপাদিত এসব পণ্য বিক্রয়ের লভ্যাংশের অর্ধেক কারাবন্দী হস্তশিল্পীদের দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কারাগারের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি বন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে ও অপরাধীদের চরিত্র সংশোধন করে সমাজে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে।

কারাগারে যেনো কেউ জঙ্গি কার্যক্রম বা নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবন না করতে পারে সেদিকে নজর রাখতেও নির্দেশনা দেন ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ ও ডেপুটি জেলারদের র‍্যাংক ব্যাচ প্রদান করা হয়।

এবারের ১৩তম ডেপুটি জেলার এবং ৬১তম ব্যাচ কারারক্ষি ও মহিলা কারারক্ষি বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে ১১ জন ডেপুটি জেলার, ৩৪১ জন কারারক্ষি এবং ২৯ জন মহিলা কারারক্ষি অংশ গ্রহণ করেন। 

বুনিয়াদি এই প্রশিক্ষণ কোর্সটি গত ২০সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ১০মার্চ সমাপনী কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সমাপ্ত করা হয়। এতে কমান্ড্যান্ট কালাম হোসেনের তত্ত্বাবধায়নে ডেপুটি জেলার হিসেবে ১১ জন, কারারক্ষি হিসেবে ৩৪১ জন ও মহিলা কারারক্ষি হিসেবে ২৯ জন প্রশিক্ষন নেন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কারা মহাপরিদর্শক এএসএম আনিসুল হক, কমান্ড্যান্ট কামাল হোসেন, প্রধান প্রশিক্ষক ওবায়দুর রহমান, কোর্স কো-অর্ডিনেটর নিজাম উদ্দিন,প্যারেড কমান্ডার ফারুক হোসেন, সিনিয়র প্রশিক্ষক ফারুক হোসেন, প্রশিক্ষক হাবলু বাদশা,উপ-প্রশিক্ষক শ্রী সুরজিত চন্দ্র সরকার প্রমুখ।



শিশু অপহরণ
স্বামী-স্ত্রী মিলে গড়ে তোলেন দুর্ধর্ষ চক্র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

স্বামী-স্ত্রী মিলে গড়ে তোলেন দুর্ধর্ষ চক্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শিমরাইল সাতপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা কামাল ওরফে উজ্জ্বল ওরফে জুয়েল রানা (৩১)। তার স্ত্রী প্রমি আক্তার (২৫)। স্বামী-স্ত্রী মিলে গড়ে তুলেছেন শিশু অপহরণ চক্র। এই দম্পতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট বাসায় সাবলেট ভাড়া নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে শিশু অপহরণ করে আসছিলেন।

২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় একই কৌশলে মাদরাসা পড়ুয়া এক শিশুকে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনাল টিম এই দুর্ধর্ষ অপহরণকারী দম্পতির সন্ধান পায়। শেষরক্ষাও হয়নি তাদের। প্রায় তিন মাসের চেষ্টায় গোয়েন্দা পুলিশের কৌশলের কাছে হার মেনে তারা দুজনেই গ্রেফতার হয়েছেন।

প্রথমে প্রমি আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। আর সর্বশেষ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় অভিযান চালিয়ে মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হয়। প্রমি গ্রেফতারের দুই মাস পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হন মোস্তফা কামাল।

গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, স্বামী-স্ত্রীর এই অপহরণকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম হয়। তাদের অপহরণের হাত থেকে রক্ষা পায়নি পরিবারের সদস্যরা।

গোয়েন্দা পুলিশের মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাশেদ হাসান বলেন, অপহরণ চক্রের মাস্টারমাইন্ড মোস্তফা কামাল ও তার স্ত্রী প্রমি মিলে দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ করে আসছে। তারা বিভিন্নভাবে মানুষের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে আবার কখনো ফ্ল্যাট বাসায় সাবলেট হিসেবে উঠে টার্গেটকৃত শিশুদের অপহরণ করে। এমনকি তাদের অপহরণের তালিকায় পরিবারের সদস্যরাও আছে। এছাড়াও মোস্তফার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগও রয়েছে।

মিরপুরের পল্লবী এলাকার বায়তুল রাসুল (সা.) মাদরাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নামের ৯ বছরের এক শিশুকে অপহরণের ঘটনার দীর্ঘ তিন মাস পর গ্রেফতার হয় তারা।

ইয়াসিনকে অপহরণের ঘটনার বিষয়ে এডিসি রাশেদ বলেন, মিরপুরে পল্লবী থানার সেকশন ৭ নম্বর এলাকায় ইয়াসিনের পরিবার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকে। এই ঘটনার পাঁচ মাস আগে মোস্তফা ও প্রমি সাবলেট ভাড়ায় ওঠে। তারা আগে থেকে টার্গেট করে বাসা ভাড়া নেয়। এই সময়ে পরিবারটির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে অপহরণ পরিকল্পনা সাজায়। গত বছরের ২৮ নভেম্বর খেলনা কিনে দেওয়ার কথা বলে শিশু ইয়াসিনকে অপহরণ করে। এরপর রাজধানীর ভাটারা, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় স্থান পরিবর্তন করে। অপহরণের পুরো প্রক্রিয়ায় মোস্তফাকে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী প্রমি।

অপহরণের পর তারা ভাটারা এলাকার একটি বস্তিতে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিলো। এই সময়ে নানা কৌশলে শিশুটিকে তাদের সঙ্গে রাখে। অন্যদিকে শিশু ইয়াসিনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হুমকি-ধমকি দিয়ে এক লাখ ১৭ হাজার টাকা আদায় করে। তবে টাকা আদায় করলেও শিশু ইয়াসিনকে ফেরত দেয়নি অপহরণকারীরা।

এক প্রশ্নের জবাবে এডিসি রাশেদ হাসান বলেন, ঘটনার পর থেকে অপহরণকারীদের গ্রেফতার করতে মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। তবে বারবার স্থান পরিবর্তন করায় তাদের গ্রেফতার করতে বেগ পেতে হচ্ছিলো। এমনকি গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে রাস্তায় শিশুটিকে ফেলে পালিয়ে যায় অপহরণকারী। তবে শিশুটিকে উদ্ধার করলেও আমরা থামিনি। দীর্ঘদিন এই চক্রের পেছনে লেগে ছিলাম। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছি। বেশ কয়েকবার আমাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

শিশু অপহরণকারী মোস্তফাকে ধরতে যত অভিযান:

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভাটারা থানার নর্দার নাসিরটেক এলাকায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সটকে পড়ে মোস্তফা কামাল। পরে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে পালানোর সময়ে সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড ও মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ী টোল প্লাজায় অভিযান চালানো হয়। তখনও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে যাত্রা বাতিল করে। গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ১১ ডিসেম্বর ভাটার থানার ছোলমাইদ এলাকায় অভিযান চালায়। সেবার মোস্তফার স্ত্রী প্রমি গ্রেফতার হলেও পালাতে সক্ষম হয় মোস্তফা। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার শিমরাইল সাতপাড়া এলাকায় ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে মোস্তফাকে গ্রেফতার করা হয়।

মোস্তাফার বরাত দিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের এডিসি রাশেদ বলেন, প্রযুক্তিগত নানা বিষয়ে দক্ষ মোস্তফা একটি ফোন ও সিম একবারের বেশি ব্যবহার করে না। আর বারবার স্থান পরিবর্তন করে। ফলে অপহরণের পর তাকে গ্রেফতারে বারবার অভিযান চালিয়েও ব্যর্থ হতে হয়েছে। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সিম উদ্ধার করা হয়েছে। যার সবই বেনামি। এছাড়া তাদের দুজনের জাতীয় পরিচয়পত্রও ভুয়া। সার্ভারে না থাকলেও তারা অন্যের তথ্য ব্যবহার করে কম্পিউটারের দোকান থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে ব্যবহার করে আসছিল।

তিনি জানান, শিশু ইয়াসিনকে অপহরণের পর তারা শিশুটিকে নিয়ে কমলাপুর এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় রাস্তায় অবস্থান করেছে। পরে ভাটারা এলাকার একটি বস্তিতে বাসা ভাড়া নেয়। যদিও তারা একটি বাসায় বেশিদিন অবস্থান করত না।


পাঁচ দিনে ৫৬২ প্রার্থীর আপিল নির্বাচন কমিশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

পাঁচ দিনে ৫৬২ প্রার্থীর আপিল নির্বাচন কমিশনে

বার্তাবেলা: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে পাঁচদিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল আবেদন করেছেন ৫৬২ প্রার্থী।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন চত্বরে এ আপিল আবেদন করেন তারা।

ইসি কর্মকর্তারা বলেন, প্রার্থিতা ফিরে পেতে ও বাতিল চেয়ে প্রথম দিন ৪২ জন, দ্বিতীয় দিন ১৪১ জন, তৃতীয় দিন ১৫৫ জন, চতুর্থ দিন ৯৩ জন এবং আজ ১৩১ জন আপিল করেছেন। পাঁচদিনে মোট ৫৬২ জন প্রার্থী ইসিতে আপিল করেছেন। এরমধ্যে বেশ কিছু বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আবেদনও করা হয়েছে।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর থেকে বাছাই শুরু হয়, শেষ হয় ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর।