শেয়ার বাজার

কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

কুমিল্লা-ঢাকা ম্যাচ দিয়ে বিপিএল পর্দা উঠছে ১৯ জানুয়ারি

বার্তাবেলা: সবকিছু নির্ভর করবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর। জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলে আগামী ১৯ জানুয়ারি এবারের বিপিএল শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে।

১৯ জানুয়ারি ধরে সেভাবে সূচিও দেওয়া হয়েছে প্রতিযোগী দলগুলোকে। কোনোরকম ঝামেলা না হলে সেই সূচি অনুযায়ীই মাঠে গড়াবে বিপিএল।

সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৯ জানুয়ারি উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আর দুর্দান্ত ঢাকা। দুপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি।

একই ভেন্যুতে ওইদিন সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ম্যাচ। এই ম্যাচে রংপুর রাইডার্স মোকাবিলা করবে ফরচুন বরিশালের। আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় বিপিএলের এই সূচি দেওয়া হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া ঢাকা পর্ব চলবে ৪ দিনের। ২৩ জানুয়ারি শেষ হবে প্রথমপর্ব। দ্বিতীয় পর্বের খেলা হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। তার আগে ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২ দিন বিশ্রাম ও ভ্রমণ বিরতি।

এরপর ২৬ জানুয়ারি থেকে সিলেট পর্ব মাঠে গড়াবে। চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর বিপিএল আবার ফিরে আসবে ঢাকায়। আগের মতই ২ দিন বিরতির পর আবার ৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ঢাকা পর্ব। শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি।

এই পর্ব শেষে ২ দিন বিরতি দিয়ে বিপিএল আবার চলে যাবে চট্টগ্রাম। সেখনে খেলা শুরু ১৩ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলা চলবে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভ্রমণ ও বিশ্রামের কারণে দুদিন বিরতি।

এরপর শেষ অংশ আবার ঢাকায়। ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় শেষ পর্ব। আর ১ মার্চ শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল।

সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

সাকিবকে নিয়ে ভেবে ‘সময় নষ্ট’ করতে চান না শান্ত

শেরে বাংলাদেশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা আজ রোববার স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত বুধবার থেকে টানা ৩দিন ‘হোম অব ক্রিকেটের’ বাইরের জায়গাটা মোটেও স্থিতিশীল ছিল না। পুরো এলাকা ছিল উত্তপ্ত। সাকিব আল হাসানের বিরোধী ও ভক্তদের অবস্থান, স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন ও দেয়াল লিখনে ছিলো সয়লাব। দুই গ্রুপের ছিল পাল্টাপাল্টি কর্মসূচীও।

আগামীকাল সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুরু হবে ঢাকা টেস্ট। স্বস্তির বিষয় হলো- একদিন আগে হলেও সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে স্টেডিয়াম এলাকায়। এর আগে হট্টগোলের মধ্যেই অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।

বিরোধীরা বলেছে, সাকিবকে খেলতে দিলে মিরপুর ব্লকেড করে দেওয়া হবে। বিসিবি সভাপতির কাছে স্মারক লিপিও দিয়েছে তারা। অন্যদিকে ভক্তদের দাবি, দেশের মাটিতেই সাকিবকে টেস্ট থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া ৪ দফা দাবি জানায় সমর্থকরা।

এসব ঝামেলার মধ্যে নতুন কোচ নিয়োগ বিসিবির। তার আগে ভারতের বিপক্ষে বাজেভাবে সিরিজ হার। সব কিছু মিলিয়ে ঢাকা টেস্টে নামার আগে দেশের ক্রিকেটীয় পরিবেশ প্রেক্ষাপট কিছুটা হলেও প্রতিকূল বাংলাদেশের জন্য। এমন অবস্থায় খেলার প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা এবং ভালো খেলার একাগ্রতা ধরে রাখাও বেশ কঠিন।

আজ রোববার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখানে এসব বিষয়ে প্রশ্নের জবাব দেন অধিনায়ক।

শুরুতেই উঠে আসে সাকিব-ইস্যু। এছাড়া ক্রিকেটারদের জন্য বর্তমান পারিপাশ্বিক অবস্থা কতটা কঠিন, আগামীকাল স্বাভাবিক মানসিকতা নিয়ে খেলতে পারবেন কিনা ক্রিকেটাররা, এসব নিয়েও ছিল প্রশ্ন।

শান্ত অকপটে স্বীকার করেন যে, পরিস্থিতি আসলেই কঠিন। তবে এসব নিয়ে বেশি সময় নষ্ট করতে চান না তিনি। বরং ম্যাচের দিকেই বেশি মনোযোগী হতে চান টাইগার অধিনায়ক।

শান্ত বলেন, ‘এটা আমাদের কন্ট্রোলে নেই। যেহেতু কন্ট্রোলে নেই, এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা মানে সময় নষ্ট। যত বেশি সম্ভব খেলায় ফোকাস করা, খুব ইম্পরট্যান্ট দুটি টেস্ট। খেলোয়াড়রা খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এটাতেই মনোযোগ রাখার চেষ্টা করছে।’

সাকিবকে নিয়ে টেস্ট ম্যাচটি খেলতে চেয়েছিলেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত বাঁহাতি-অলরাউন্ডাকে না পাওয়াকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করেন তিনি।

শান্ত বলেন, ‘পরিকল্পনা তো ছিলই, বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। শুধু বাংলাদেশই বলবো না, গোটা বিশ্বের। খুবই দুর্ভাগ্যজনক, যেকোনো কারণেই হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, প্রত্যেক খেলোয়াড় মনে করে, পেন্ডিং থেকেই গেল। দুর্ভাগ্যজনক। হওয়া উচিৎ ছিল। আমরা সবাই জানি কেন হয়নি। এটা নিয়ে টেস্ট ম্যাচের আগের দিন বেশি কথা বলতে চাই না। আমি চাই প্রত্যেক খেলোয়াড় খেলায় মনোযোগ রাখুক।’


ক্রিকেট
তিন সংস্করণে নতুন অধিনায়ক নাজমুল, প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

তিন সংস্করণে নতুন অধিনায়ক নাজমুল, প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ

বার্তাবেলা ডেস্ক: তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের নতুন অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেনের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন। 

আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে বড় এই দুটি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান।

এত দিন সাকিব আল হাসান তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন। গত অক্টোবরে ওয়ানডে বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে এক টিভি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপের পর আর একদিনও অধিনায়ক থাকবেন না। তবে শুধু ওয়ানডের কথা বলেছিলেন, নাকি সব সংস্করণের—তা পরিষ্কার ছিল না। বিশ্বকাপে সাকিবের চোটের কারণে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন।

পরে সাকিবের অনুপস্থিতিতে দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও নাজমুল অধিনায়কত্ব করেন। অধিনায়ক ছিলেন এর পরপরই নিউজিল্যান্ড সফরেও। নাজমুলের নেতৃত্বে দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জেতে। নিউজিল্যান্ড সফরে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডকে ওয়ানডেতে হারায় বাংলাদেশ, পরে জেতে একটি টি–টোয়েন্টিতেও। 

নতুন অধিনায়কের সঙ্গে নতুন নির্বাচক কমিটিও পাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। আগের নির্বাচক কমিটি থেকে আবদুর রাজ্জাক অবশ্য আছেন নতুন কমিটিতেও। আগের কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন মিনহাজুল আবেদীন ও হাবিবুল বাশার। মিনহাজুল আবেদীনের বদলে প্রধান নির্বাচক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেনের নাম। কমিটির তৃতীয় সদস্য হিসেবে নতুন এসেছেন হান্নান সরকার, এতদিন যিনি জুনিয়র নির্বাচক কমিটির সদস্য ছিলেন। 



কঠিন হবে ২০০ রানের লক্ষ্যও, মনে করে দুই দলই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

কঠিন হবে ২০০ রানের লক্ষ্যও, মনে করে দুই দলই

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে প্রায় ৪৯ ঘণ্টার বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে ঢাকা টেস্টের দেড় দিন। আজ ৯৮ ওভার খেলার কথা থাকলেও তৃতীয় দিনে মাঠে গড়িয়েছে মাত্র ৩২.৩ ওভার।

শুক্রবার দুপুর ১২ টায় খেলা শুরুর সময় বলে দেওয়া হলো, খেলা হবে বেলা বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। কিন্তু তা আর হয়নি। বেলা পৌনে তিনটায় আলোর স্বল্পতায় সেই যে খেলা বন্ধ হলো, আর শুরু করা গেলো না। মানে আজকের নির্ধারিত সময়ের প্রায় আড়াই ঘণ্টা খেলা হয়নি।

দেড় দিনের বেশি সময় বৃষ্টি আর আলোর স্বল্পতায় ধুয়েমুছে গেছে। বাকি আছে দুদিন। আকাশের মত উইকেটের অবস্থাও বিশেষ ভালো না। এ উইকেটে আসলে কত রানের লিড হতে পারে নিরাপদ? কিউইদের কত রানের চ্যালেঞ্জ দিলে ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা থাকবে বাংলাদেশের?

আজ দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামতেই বাংলাদেশ ভক্ত ও সমর্থক সবার মনে ঘুরে ফিরে এ প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে। শুক্রবার দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনেও উঠলো এ প্রশ্ন।

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করা গ্লেন ফিলিপস আর বাংলাদেশের অফস্পিনার নাঈম হাসান দুজনের কাছেই রাখা হয়েছিল এ প্রশ্ন।

গ্লেন ফিলিপস মনে করেন, ১৮০ থেকে ২০০ রানের টার্গেট তাড়া করাই হবে কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ কিউই অলরাউন্ডারের কথা, ‘সামনের দুদিন যদি উইকেটের চরিত্র পাল্টে না যায়, এমনই থাকে; তাহলে ২০০ রান করাও বেশ কঠিন।’

বাংলাদেশের অফস্পিনার নাঈম হাসানের আশা, তারা ২০০ থেকে ২২০ রানে লিড নিতে পারবেন। নাইমের কথা, ‘আমরা এখন ৩০ রানে এগিয়ে আছি। আশা করি এ লিডটা দুশো পেরিয়ে যাবে। যদি দুশো রানের বেশি লিড নেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে জিতবো ইনশাআল্লাহ।’

নিউজিল্যান্ড ৫৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে খেলতে নেমে আজ বাকি ৫ উইকেটে আরও ১২৫ রান যোগ করেছে। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন গ্লেন ফিলিপস। বাংলাদেশের তিন স্পিনার তাইজুল, নাঈম ও মিরাজকে হাত খুলে খেলে চাপের মুখেও রান করেছেন ফিলিপস। ৭২ বল খেলে ৯ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে ৮৭ রান করেন এ ২৬ বছর বয়সী কিউই অলরাউন্ডার।

এখন দেখার বিষয়, ৩৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে কাল শনিবার চতুর্থ দিন শুরু করে বাংলাদেশ কোথায় গিয়ে থামে। বুক ভরা সাহস ও আস্থায় ফিলিপসের ভূমিকায় অবতীর্ন হন কে?