শেয়ার বাজার

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা  ও জাতীয় দিবস উদযাপন

এমএ আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো: মুজিবুল হক মুজিব এমপি’র চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম এ বাহার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য এম. তমিজ উদ্দিন ভূঁইয়া সেলিম, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্টা আবু তাহের, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইসহাক খাঁন, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য এমরানুল হক কামাল (ভার্ড কামাল), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, দফতর সম্পাদক নান্টু চন্দ্র দেবনাথ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার, নায়িমুর রহমান মজুমদার মাছুম, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, মোস্তফা কামাল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা যুবলীগ নেতা ইমাম হোসেন পাটোয়ারী এনাম, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফয়েজুন্নেছা আমিন, সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা আক্তার, পৌর যুবলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কাজী আল রাফি, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউছার হানিফ শুভ, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জোবায়ের হোসেন শুভ, সাধারণ সম্পাদক জামশেদ হোসেন নয়ন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হক, গুনবতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ভিপি আবুল খায়ের, কনকাপৈত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহআলম পাটোয়ারী, পৌর কাউন্সিলর বদিউল আলম পাটোয়ারী, মফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম শাহীন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য মো: ওমর ফারুক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মতিউর রহমান জালাল সহ উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।


সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

বার্তাবেলা ডেস্ক: সমুদ্রসীমার সম্পদ আহরণ করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪ (অ্যাক্ট নং ২৬, ১৯৭৪)’ প্রণয়নের ৫০ বছর পূর্তিতে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আছে তরুণ সমাজ। এরা অত্যন্ত মেধাবী। তাদের পথ দেখালেই বীরদর্পে সামনে এগিয়ে যাবে। আমরা সেটাই চাই।

এসময় বিভিন্ন দেশের যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, শান্তি প্রগতি ও উন্নতির পথ দেখায়, জাতিকে অগ্রগরমান করে, উন্নত জীবন দেয়। আমরা সেজন্য শান্তি চাই। যুদ্ধ চাই না। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সেটি আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা যেখানে রেখে গেছেন, বাংলাদেশ সেখানে থমকে গিয়েছিল। আমরা আবার সেখান থেকে শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। আমরা চাই, ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্ঞানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবো। মর্যাদা নিয়ে চলবো। সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নিয়ে রেখেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সময়োপযোগী করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, খনিজ সম্পদসহ সব আমাদের উত্তোলন করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে। এজন্য যথাযথ বিনিয়োগও প্রয়োজন। এজন্য আলাপ আলোচনা করছি। আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। আমরা বিশাল সমুদ্রসীমার যথাযথ ব্যবহার করে দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে চাই।

এসময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আসুন। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বিনিয়োগ করে আপনারাও লাভবান হবেন।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবো না। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য থাকতে হবে। ফোর্সেস গোল তৈরি করেছি। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।

সমুদ্র এলাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশাল সমুদ্র এলাকায় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে। মাতারবাড়িতে ডিপ সি পোর্ট করেছি। পায়রা সি পোর্ট করছি। এটা থেকে সমুদ্র বেশি দূরে না। এটার একটা ভবিষ্যৎ আছে। আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করছি। তাড়াহুড়া করছি না। ব্লু ইকোনমি বাস্তবায়নে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে নৌবাহিনী কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জাতির পিতা অনুভব করেছেন। আমি এই নৌবাহিনীকে ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে রূপান্তর করেছি। অনেকে বলে, এটা কী দরকার ছিল। আমরা ছোট দেশ। আমরা কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক বড়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ সালের পরের সরকার আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বিশাল সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি, কোনো রকম উদ্যোগ নেয়নি। আমাদের স্থল সীমানা চুক্তিও জাতির পিতা করে দিয়ে যান। সংবিধান সংশোধন করে সে চুক্তি বাস্তবায়ন করে দিয়ে যান। পরে সেটি আর কার্যকর হয়নি। ২১ বছর পর আমরা ক্ষমতায় আসি এবং এ নিয়ে কাজ শুরু করি। এটি করতে হয় গোপনীয়ভাবে। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, এই নীতি মেনে চলেছি। পাশাপাশি আমাদের অধিকারটা আদায়েও সচেতন হই। উদ্যোগ নিই।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশাল সমুদ্রসীমা আমাদের আছে। এটি আমাদের দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখতে পারবে। আজকের দিনের এই সেমিনার আমাদের সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার ও সব সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা এবং সহায়ক ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে। সমুদ্রপথ সবাই ব্যবহার করছে এবং ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো সংঘাত হয়নি, শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। কখনোই সংঘাতপূর্ণ পরিবেশ হবে না। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যাবো।

আনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান; হাইওয়ে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান; হাইওয়ে পুলিশ

এমএ আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উপর দিয়ে ঢাকা টু চট্রগ্রাম হাইওয়ে মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশে ফুটপাতে গাড়ী পার্কিং, অবৈধ স্থাপনা ও ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে হাইওয়ে পুলিশ।

মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং যাত্রী সাধারণের চলাচলে ভোগান্তি কমাতে চৌদ্দগ্রাম এলাকায় বাজার এবং মহাসড়কের দু’পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ।

আজ সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজার এবং মহাসড়কের দু’পাশে  অবৈধভাবে গড়ে ওঠা শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানার ওসি লোকমান হোসেন।

এসময় সাংবাদিকদের চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে চৌদ্দগ্রাম মহাসড়কের দু’পাশে এবং বাজার অংশে ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা, গাড়ী পার্কিং ও ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদে এই আভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

 এসময় তিনি আরো বলনে, এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে দোকানপাট বসতে না পারে সেজন্য হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতি দিন মনিটরিং করা হবে। আর মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।


উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত বাড়লো ১০ গুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত বাড়লো ১০ গুণ

বার্তাবেলা ডেস্ক: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ গুণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা। নারী সদস্যের ক্ষেত্রে জামানত ৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ২৮তম কমিশন সভায় ইসি এ অনুমোদন দেয়। ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয় সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নারী সদস্যদের নির্বাচনী ব্যয় এক লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় একটির বেশি শব্দযন্ত্র (মাইক) বা জনসভায় চারটির বেশি শব্দযন্ত্রের (মাইকের) ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসের আয়তন ৬০০ বর্গফুটের বেশি হতে পারবে না।

জাহাংগীর আলম বলেন, পোস্টার, ব্যানার সাদা-কালো অথবা রঙিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের আগে জনসংযোগ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচরণার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাঁচজনের অধিক কর্মী বা সমর্থককে নিয়ে জনসংযোগ করা যাবে না। প্রতি ইউনিয়নে একটি এবং পৌরসভার প্রতি ৩টি ওয়ার্ডে একটির বেশি নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিস রাখা যাবে না। শব্দদূষণ প্রতিরোধে শব্দ বর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মান মাত্রা ৬০ ডেসিবলের অতিরিক্ত হতে পারবে না। প্রচারণায় পোস্টার বা ব্যানারে পলিথিনের ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটারের সমর্থনযুক্ত তালিকা দাখিলের বিধান বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক। সমভোটের ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১৫ ভাগ অপেক্ষা কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্তের প্রস্তাব করা হয়েছে।