শেয়ার বাজার

ভুট্টা চাষের আড়ালে আফিম চাষ, জমির মালিক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ভুট্টা চাষের আড়ালে আফিম চাষ, জমির মালিক গ্রেপ্তার

বার্তাবেলা (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নিষিদ্ধ আফিম গাছ চাষ করায় নূরুল ইসলাম (৪৫) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত নূরুল ইসলাম উপজেলার তেওতার পুরান পয়লা এলাকার জাবেদ খানের ছেলে।তিনি পেশায় কৃষক।

ডিবি পুলিশ জানান, শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের পুরান পয়লা এলাকার একটি ফসলের মাঠে ভুট্টাক্ষেতের মাঝখানে ছয় শতাংশ জমিতে আফিম গাছের আবাদের খবর পেয়ে রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় আফিম গাছ আবাদের সততা পাওয়ায় রোববার সকালে নূরুল ইসলামকে আটক করা হয়।

জেলা ডিবি পুলিশের এসআই রিপন নাগ জানান, আফিম গাছ দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। অভিযানে নূরুল ইসলামের ফসলের ক্ষেত থেকে প্রায় ৩০ হাজার আফিমের গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে অনেক গাছে ফুল ও ফলও ধরেছিল। এঘটনায় নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার করা আফিম গাছগুলো পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

বার্তাবেলা ডেস্ক: রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পাকিস্তানি শাসকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিল, যাদের আত্মত্যাগে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার। ফুল আর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করা হয়।

বুধবার ২১ শে ফেব্রুয়ারী,২০২৪"মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর  সমাধি স্থলে জেলা পুলিশ গোপালগঞ্জের পক্ষে সন্মানিত পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জ,  জনাব আল-বেলী আফিফা  ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ায় অংশগ্রহণ  করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক,গোপালগঞ্জ জনাব কাজী মাহবুবুল আলম।

 এ ছাড়াও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ” ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার দাবীতে রাস্তায় নেমে আসে মানুষ। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা, ভেঙে ফেলা হয় শোষকের শৃঙ্খল। রক্তে ভেসে যায় রাজপথ।

গুলিতে বিদীর্ণ হয় বুক। শহীদ হন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে। ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে ইতিহাস গড়েন তারা। বাংলা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একাত্তরে জন্ম নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

মাতৃভাষার জন্যপ্রাণ উৎসর্গের এই দিনটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে। অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের চেতনার প্রতীক ‘শহীদ মিনার’ এখন এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ সব কটি মহাদেশের বহুভাষিক চেতনার স্মারক।


টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

টিসিবির সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বাড়ছে সরকারের

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা। এই তেল কিনতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিসিবির জন্য এই প্রথম সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হলো। প্রতি লিটার সয়বিন তেল কেনা হবে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা করে। আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছিল এবার তার থেকে লিটারে প্রায় সাড়ে ৭ টাকা বেশি পড়ছে।

রোববার (২০ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে এই সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে এই তেল কিনতে মোট খরচ হবে ৮৬ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয় গত ২৯ জুন। ওইদিন অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ধরা হয় ১৫০ টাকা ৪৮ পয়সা। এতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে মোট ৩৩১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সয়াবিন তেলও সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে কেনার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে সয়াবিন তেল কিনেছে তার তুলনায় এবার প্রতি লিটারে ৭ টাকা ৪২ পয়সা বেশি পড়ছে।

সয়াবিন তেল কিনতে ব্যয় বেশি হলেও সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনায় বেশ কম দামে মসুর ডাল কিনছে সরকার। গত ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি বৈঠকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ ধরা হয় ৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয় ৯৬ টাকা ৩৯ পয়সা।

এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ মসুর ডাল কেনা হয় ১০২ টাকা ২০ পয়সা কেজি দরে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে দামে মসুর ডাল কিনে তার তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকারের মসুর ডাল কিনতে কেজিতে ৫ টাকা ৮১ পয়সা কম পড়েছে।


২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৪

২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্তি বাতিল করে সাত কলেজকে নিয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। দাবি মেনে নিতে এ আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়েন তারা।

সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে এ হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আফজাল হোসেন রাকিব। এরপর সায়েন্সল্যাবের দুই পাশের সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।

এর আগে বেলা ১১টা থেকে ঢাকা কলেজে জড়ো হন সাত কলেজের প্রায় এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে সায়েন্সল্যাব ও নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেন তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা ৩ দফা দাবিও তুলে ধরেন। সেগুলো হচ্ছে

১. সাত কলেজ নিয়ে একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার অভিপ্রায়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করতে হবে।

২. সংস্কার কমিটি অনধিক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সাত কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সাত কলেজের সমন্বয়ে শুধু একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার রূপরেখা প্রণয়ন করবেন।

৩. সংস্কার কমিটি বর্তমান কাঠামো সচল রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। যাতে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সেশন জটিলতার কোনো ধরনের পরিবেশ তৈরি না হয়।