শেয়ার বাজার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মিলন গ্রেফতার

প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হোটেলকর্মী মিলন গ্রেফতার

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নিলি নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। তার নাম মিলন। পেশায় মিলন একজন হোটেলকর্মী।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দক্ষিণ বনশ্রীর নিজ বাসায় খুন হওয়া স্কুলছাত্রীর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার সন্দেহজনক আসামি হোটেলকর্মী মিলনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

জানা গেছে, গ্রেফতার মিলন নিহত নিলির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। নিলি বাসায় একা ছিল সেই সুযোগে মিলন তাকে গলাকেটে হত্যা করে। তবে কি কারণে হত্যা সে বিষয়ে এখনও জানাতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এ হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিদের আসামি করে গত শনিবার রাতে একটি মামলা হয়।

গত শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের প্রীতম ভিল থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছিলেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

খিলগাঁও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার (১৭) বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকতো নিলি। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ চালান। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় সে ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।


হাজারীবাগে কিশোরী হত্যাকাণ্ড: মূল সন্দেহভাজন সিয়াম আটক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

হাজারীবাগে কিশোরী হত্যাকাণ্ড: মূল সন্দেহভাজন সিয়াম আটক

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি (১৪) হত্যার ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন সিয়ামকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হায়দার হোটেলের গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় বিন্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বিন্তি রায়েরবাজার হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন কাছিকাটা গ্রামে। ঢাকায় সে পরিবারের সঙ্গে হাজারীবাগের হায়দার আলী হোটেলের পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো।

হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মূল সন্দেহভাজন সিয়ামকে আটক করা হয়েছে।

আটক সিয়ামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জানিয়ে ওসি বলেন, হত্যার পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার জংশনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘ঢাকা মেইল-২’ ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভৈরব বাজার জংশন ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় এ রিপোর্ট লেখো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আপ ও ডাউন উভয় লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় এই রুটের বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ভৈরব বাজার জংশনে পৌঁছে কেবিন মাস্টারের কাছ থেকে সামনে অগ্রসর হওয়ার সংকেত পান। জংশন থেকে প্রায় ১৫০ মিটার অগ্রসর হওয়ার পর ইঞ্জিনের পরের চতুর্থ কোচটি লাইনচ্যুত হয়। এতে স্টেশনের আপ ও ডাউন উভয় লাইন বন্ধ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই লাইন থেকে ট্রেন সরানোর কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে উদ্ধার কাজ চলছে।