শেয়ার বাজার

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।

দিনাজপুরে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে নারীকে দীর্ঘদিন ‘ধর্ষণ’, আ.লীগ নেতা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

দিনাজপুরে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে নারীকে দীর্ঘদিন ‘ধর্ষণ’, আ.লীগ নেতা আটক

দিনাজপুর হিলি প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হিলিতে বিয়ের নাটক সাজিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর ঘটনায় হিলি মুন্না মটরস এর মালিক মুশফিকুর রহমান মুন্না (৪২)কে আটক করেছে থানা পুলিশ।

আজ শনিবার (১৬ মার্চ) ভোররাতে উপজেলার বোয়ালদাড় গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। সে ওই গ্রামের মৃত সাদেক আলীর ছেলে।

হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ দুলাল হোসেন বলেন, কৌশলে বিয়ের নাটক সাজিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর ঘটনায় আসামি, হিলি মুন্না মটরস এর মালিক মুশফিকুর রহমান মুন্না (৪২) কে আজ শনিবার ভোররাতে তার নিজ বাড়ি বোয়ালদাড় থেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আসামির বিরুদ্ধে হাকিমপুর থানার মামলা নং ১৫ তারিখ-১৬/০৩/২০২৪ খ্রিঃ ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২০ এর ৯(১) তৎসহ পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ৮(১) ও ৮(৩) ধারা রুজ্জু করিয়া আসামিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বের ‘হাব সম্মিলিত ফোরাম’ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতু্ন্নেসা মুজিব কনভেনশনে হাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বে হাব সম্মিলিত ফোরাম ও জামাল উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ‘হাব গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ’। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের প্রাপ্ত ভোট ৪০৪, অন্যদিকে জামাল উদ্দিন আহমদ ২২৭ ভোট পান। তসলিম ১৭৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

হাব কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৭টি পদে হাব সম্মিলিত ফোরামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ঢাকা আঞ্চলিক পরিষদের ১৩টি ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ৭টি পদেও ফোরামের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে সিলেট আঞ্চলিক পরিষদের ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রামে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বাণিজ্য সংগঠন) জিনাত রেহান, উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এম এম মোস্তফা জামাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ মশিউর রহমান।


গোপালগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গোপালগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা মারা গেছেন

বার্তাবেলা (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গিমাডাঙ্গা নিবাসী দৈনিক ভোরের বাণী’র চীফ রিপোর্টার এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক,  এ. জেড আমিনুজ্জামানের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এ. জেড. এম সহিদুর রহমান।

আজ সোমবার ২৬/০২/২০২৪ইং সকাল ১১.১৫ মিনিটে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

মৃতকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এ. জেড. এম সহিদুর রহমান বেশ কয়েক দিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত রোগের কারণে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মরহুমের শহরের বাড়ি কোর্ট মসজিদ , চাঁদমারি রোড, ব্যাংকপাড়া, গোপালগঞ্জ। মরহুমের জানাজা তার নিজ গ্রাম গিমাডাঙ্গা পশ্চিম পাড়ার মোল্লা বাড়ীতে অনুষ্ঠিত হবে, মাগরিব বাদ।এবং গোপালগঞ্জ সদর মার্কাস মসজিদ সামনে কবরস্থানে সাহিত্য করা হবে,  তার মৃত্যুতে সাংবাদিকদের  পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।