শেয়ার বাজার

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন

প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন)পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সংস্থারই অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন তিনি এই পদের আগে প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রীজ প্রকল্পে প্রেষণে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ইং বুধবার স্মারকে ৪৬.০০.০০০০.০০০.০৬৭.১২.০০০৭.২৫.৪৯/১(১৪) স্হানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সচিব আশফিকুন নাহার সাক্ষরে এই আদেশ জারি হয়।

বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মানব সম্পদ উন্নয়ন, মান নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ ইউনিট)-এ কর্মরত থেকে পিইডিপি-৪ ইউনিটের দায়িত্ব যথাযথভাবে ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে প্রশাসন শাখায় সততা ও দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তিনি একজন মেধাবী, চৌকস, কর্মঠ, দক্ষ, সৎ প্রকৌশলী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। চাকরিতে যোগদানের পর পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কারিগরি, ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। এলজিইডিতে সদালাপী ও সজ্জন হিসেবে তাঁর বেশ সুনাম আছে।

আতঙ্কে কয়েক হাজার মানুষ
দোয়ারাবাজারে সুরমার গ্রাসে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে ইদনপুর-আজমপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৬

দোয়ারাবাজারে সুরমার গ্রাসে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে ইদনপুর-আজমপুর

মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী

​সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা নদীর দক্ষিণ পাড়ে শুরু হয়েছে প্রকৃতির ভয়াবহ তাণ্ডব। রাক্ষুসী সুরমার করাল গ্রাসে মানচিত্র থেকে ক্রমশ বিলীন হতে চলেছে ইদনপুর ও আজমপুর সহ কয়েকটি গ্রাম। প্রতিদিন নদীর পেটে যাচ্ছে ফসলি জমি, ভিটেমাটি আর স্মৃতিবিজড়িত ঘরবাড়ি।

একদিকে সুরমার ভাঙন, অন্যদিকে নোয়াগাঁও খালের তীব্র ভাঙন— এই দুইয়ের সাঁড়াশি আক্রমণে এখন দিশেহারা কয়েক হাজার মানুষ। আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর।

​সরেজমিনে দেখা যায়, সুরমা নদীর পাড়জুড়ে শুধু দীর্ঘশ্বাস। চোখের পলকেই নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের সারা জীবনের সম্বল। আবাদি জমি নদী গিলে ফেলায় প্রান্তিক কৃষকরা এখন ভূমিহীন হওয়ার পথে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা আসার আগেই ভাঙন তীব্র হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান আজও মেলেনি।

​ইদনপুর গ্রামের মাস্টার নজির উদ্দিন ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে বলেন, 'আমাদের চোখের সামনে দুটি গ্রাম ছোট হয়ে আসছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ইদনপুর ও আজমপুর গ্রামের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। '

​একই আর্তনাদ শোনা গেল আজমপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার কণ্ঠে। তিনি বলেন, 'নদী তো শুধু মাটি নেয় না, আমাদের স্বপ্নগুলোও নিয়ে যাচ্ছে। বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার মতো জায়গাও এখন আর অবশিষ্ট নেই।'

​শুধু সুরমা নদী নয়, মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে নোয়াগাঁও খালের ভাঙন। এই খালের ভাঙনে ইদনপুরসহ দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে ড্রেজার দিয়ে এই খালে মাটি ভরাট করা এবং সুরমা নদীর পাড় রক্ষায় পরিকল্পিত ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।

​ইদনপুরের বাসিন্দা এখলাছুর রহমান রাজু ক্ষোভ ও আর্তি নিয়ে জানান নোয়াগাঁও খালের ভাঙন আমাদের আরও বেশি অসহায় করে তুলেছে। নদী আর খালের মাঝখানে আমরা যেন এক চিলতে দ্বীপে বন্দি হয়ে আছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।' 

​এলাকাবাসী তাদের এই মানবিক বিপর্যয় থেকে বাঁচতে ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য ও জননেতা কলিমউদ্দিন আহমেদ মিলনের দ্রুত সুদৃষ্টি ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একইসাথে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) সাদ্দাম হোসেন জানান,

​'আমরা ভাঙনের তীব্রতা সম্পর্কে অবগত আছি। ইদনপুর ও আজমপুর এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি এবং নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ ও নির্দেশনা পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।'

​তবে সরকারি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুত কাজ শুরু না হলে, নদীপাড়ের এই প্রাচীন জনপদগুলো কেবল ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। দোয়ারাবাজারের এই বিপন্ন মানুষের এখন একটাই চাওয়া— ভিটেমাটি আঁকড়ে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

রাংগুনিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও  রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরামের প্রধান পৃষ্টপোষক ড. হাছান মাহমুদ এমপি'র তত্ত্বাবধানে ফ্রি বাস সাভিস চালু করা হয়েছে।  

বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় রাঙ্গুনিয়া থেকে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের পথের দূর্ভোগটা কমবে।’

শনিবার (২ মার্চ) সকালে  “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের উদ্যোগে এ. বি.সি.ও ডি. ইউনিটে ৪ দিনের ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের সহযোগিতায় প্রতিদিন বাস সার্ভিস রাঙ্গুনিয়ার রোয়াজারহাট থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যাবে।

কয়েক বছর ধরে রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য সেবাটি চলছে। বাস সার্ভিস উদ্বোধনীতে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের শাখার সভাপতি বি. কে লিটন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগে সভাপতি রাসেল রাসু,রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট'স ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিনা চৌধুরী, বর্তমান সভাপতি মুহাম্মদ আবু মোকাররম দস্তগীর, সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ। বাসটি ৪৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীও অভিভাবককে নিয়ে ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করে।


শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে অচল ঢাকা, ভোগান্তি চরমে

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে অচল ঢাকা, ভোগান্তি চরমে

সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর একাধিক স্থানে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল মোড়, তাঁতিবাজার মোড়, মহাখালী ও ফার্মগেট সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, আগামী ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন ২০২৫’-এর অনুমোদন দিতে হবে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।

পুলিশ বলছে, অবরোধের ফলে ওসব সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সড়কে স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তাঁতিবাজার অবরোধ

লালবাগ জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. আমিনুল কবীর তরফদার বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার চৌরাস্তা অবরোধ করেছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অবরোধের ফলে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।

দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে বাংলা কলেজের শিক্ষার্থীরা টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করে অবস্থান নেন। এসময় তারা ‘সেন্ট্রাল সেন্ট্রাল’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘দালালি না রাজপথ’, ‘আপস না সংগ্রাম’, ‘শিক্ষা নাকি সিন্ডিকেট’, ‘তালবাহানা বন্ধ কর, অধ্যাদেশ জারি করো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ

টেকনিক্যাল মোড় অবরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর বিভাগের দারুসসালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হোসেন বিপুল বার্তাবেলা নিউজকে জানান, বাংলা কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের কারণে গাবতলী, টেকনিক্যাল মোড়, মিরপুর সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করছে না। ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ শিক্ষার্থীদেরকে মূল সড়ক থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেছে।

সায়েন্সল্যাব অবরোধ

দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় সায়েন্সল্যাব থেকে নিউ মার্কেট, শাহবাগ ও ধানমন্ডি সড়ক দিয়ে চলাচরত সব ধরনের যানবাহন আটকে যায়। শিক্ষার্থীরা ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মূল সড়ক থেকে সরে যেতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ফার্মগেট অবরোধ

এদিকে সহপাঠী সাকিবুল হত্যার বিচার ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পর এবার রাজধানীর ব্যস্ততম ফার্মগেট মোড়ও অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে করে গুরুত্বপূর্ণ এই দুই সড়কেই যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রথমে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে ফার্মগেট খামারবাড়ি অভিমুখের অংশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট মোড়ও অবরোধ করেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সাকিব হত্যাকাণ্ডের এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনো দৃশ্যমান বিচারিক অগ্রগতি নেই। খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। অবরোধ চলাকালে তারা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে পারে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

মহাখালী অবরোধ

সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর মহাখালী মোড় অবরোধ করে সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ অবরোধ অবশ্য মিনিট পনেরো ছিল। পরে পুলিশের সহয়তায় সড়ক স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ট্রাফিক গুলশান জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিয়াউর রহমান জিয়া জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট মতো অবরোধ করেছিল। বর্তমানে সড়ক স্বাভাবিক রয়েছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর খসড়া গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। খসড়াটি প্রকাশের পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার আয়োজন করে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়াটি হালনাগাদ করে। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা চান, ওই সভাতেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫-এর হালনাগাদ করা খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হোক এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হোক।