শেয়ার বাজার

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বের ‘হাব সম্মিলিত ফোরাম’ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতু্ন্নেসা মুজিব কনভেনশনে হাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বে হাব সম্মিলিত ফোরাম ও জামাল উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ‘হাব গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ’। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের প্রাপ্ত ভোট ৪০৪, অন্যদিকে জামাল উদ্দিন আহমদ ২২৭ ভোট পান। তসলিম ১৭৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

হাব কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৭টি পদে হাব সম্মিলিত ফোরামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ঢাকা আঞ্চলিক পরিষদের ১৩টি ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ৭টি পদেও ফোরামের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে সিলেট আঞ্চলিক পরিষদের ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রামে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বাণিজ্য সংগঠন) জিনাত রেহান, উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এম এম মোস্তফা জামাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ মশিউর রহমান।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীতে নির্বাচনি প্রচারণায় আসছেন। ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

দীর্ঘ ২২ বছর পর দলীয় প্রধানের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ জনগণ এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে তিন লক্ষাধিক জনসমাগমের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন জানান, ২৯ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে বিমানযোগে তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছাবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে সমাবেশে যোগ দেবেন। একইদিন সন্ধ্যায় নওগাঁ বাইপাসে এবং রাতে বগুড়ায় নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আমরা কয়েক লাখ মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি।

জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর বাসভবনে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জ আসনের দলীয় প্রার্থী, মহানগর ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সভায় তিনি রাজশাহীতে তিন জেলার নির্বাচনি সমাবেশ সফল করার জন্য সমন্বয়ের নির্দেশনা দেন। ভার্চুয়াল সভায় রাজশাহী বিভাগের ১৩ আসনের প্রার্থীদেরও এ সমাবেশ সম্পর্কে অবহিত করার কথা বলেন তিনি। সভায় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, নাটোর-২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মহানগর বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

এরপর রোববার সকাল থেকেই ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। মঞ্চ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনকেও অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু জানান, তারেক রহমান ২৯ জানুয়ারি বিমানে দুপুর সোয়া ১২টায় রাজশাহীতে নামবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে পৌঁছে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। রাজশাহীসহ আশপাশের তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ এই জনসভায় উপস্থিত থাকবেন। রাজশাহী বিএনপির প্রাণকেন্দ্র, এখানকার মানুষ ‘ধানের শীষ’ ছাড়া কিছু ভাবেই না। আমরা বিজয়ের দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে দীর্ঘ সময় পর রাজশাহীতে তারেক রহমানের আগমন বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে। দলীয় নেতারা মনে করেন, এই সমাবেশ রাজশাহী ও আশপাশের তিন জেলায় বিএনপির নির্বাচনি শক্তিকে ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করবে এবং ভোটারদের মধ্যে দলীয় মনোবল বাড়াবে। এর ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিভাগের ১৩টি আসনে এই বৃহৎ সমাবেশ দলটির জন্য ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ সর্বশেষ ২০০৫ সালে দলীয় কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তারেক রহমান রাজশাহীতে এসেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এই প্রথম ভোটের প্রচারে সরাসরি মহানগরীতে আসার ফলে দল ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জের প্রার্থীদের জন্য একযোগে এই মহাসমাবেশ বিএনপির ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে দল ও অঙ্গসংগঠন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।


দরিদ্র পরিবারের মাঝে আাজিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

দরিদ্র পরিবারের মাঝে আাজিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

রাউজান প্রতিনিধি:  পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ৫ হাজার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন রাউজানের সমাজ সেবী সংগঠন আজিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের। 

গতকাল ৯ মার্চ শনিবার বিকালে রাউজান পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হাজী পাড়ায় এই ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয় । প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব শাহাজাহান ইকবালের সভাপতিত্বে ও রাউজান পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি হাসান মোহাম্মদ রাসেলের সঞ্চলনায় অনুষ্টিত দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি । 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, রাউজান থানার ওসি জহিদ হোসেন, রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কামরুল হাসান বাহাদুর, রাউজান পৌরসভ্রা কাউন্সিলর বশির উদ্দিন খান,এডভোকেট সমীর দাশ গুপ্ত,জানে আলম জনি, জসিম উদ্দিন চৌধুরী,চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল লতিফ প্রমুখ । রাউজান পৌরসভার ৬,৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড ৭নং রাউজান ইউনিয়ন ও ডাবুয়া ইউনিয়ন, চিকদাইর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ৫ হাজার দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন।


চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।


বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।