শেয়ার বাজার

নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত

প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার পাঁচকাঠি এলাকায় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

মহাদেবপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খুরশিদুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি বার্তাবেলা নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর চারজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এছাড়া একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

নরসিংদীতে ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নরসিংদীতে ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

বার্তাবেলা (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর রায়পুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে মো: মাহবুব মিয়া নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে  মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের নীলকুঠি-আলগী আঞ্চলিক সড়কে মানিকনগর গ্রামের মান্নান মাস্টারের বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

নিহত মো: মাহবুব মিয়া উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত ইব্রাহিম মিয়া কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই বন্ধু মোটরসাইকেল যুগে আলগী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় তারা মানিকনগর এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতির ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের চালক রাস্তায় ছিটকে পড়ে ট্রাক্টরের সামনের চাকার চাপায় গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে মো: মাহবুব মিয়ার মারা যায় এবং মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস বলেন, মরদেহ  উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাক্টর ফেলে চালক পালিয়ে গেছে ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছ। এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। ময়না তদন্তের পর তদন্ত সাপেক্ষে  আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীতে নির্বাচনি প্রচারণায় আসছেন। ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

দীর্ঘ ২২ বছর পর দলীয় প্রধানের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ জনগণ এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে তিন লক্ষাধিক জনসমাগমের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন জানান, ২৯ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে বিমানযোগে তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছাবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে সমাবেশে যোগ দেবেন। একইদিন সন্ধ্যায় নওগাঁ বাইপাসে এবং রাতে বগুড়ায় নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আমরা কয়েক লাখ মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি।

জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর বাসভবনে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জ আসনের দলীয় প্রার্থী, মহানগর ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সভায় তিনি রাজশাহীতে তিন জেলার নির্বাচনি সমাবেশ সফল করার জন্য সমন্বয়ের নির্দেশনা দেন। ভার্চুয়াল সভায় রাজশাহী বিভাগের ১৩ আসনের প্রার্থীদেরও এ সমাবেশ সম্পর্কে অবহিত করার কথা বলেন তিনি। সভায় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, নাটোর-২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মহানগর বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

এরপর রোববার সকাল থেকেই ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। মঞ্চ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনকেও অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু জানান, তারেক রহমান ২৯ জানুয়ারি বিমানে দুপুর সোয়া ১২টায় রাজশাহীতে নামবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে পৌঁছে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। রাজশাহীসহ আশপাশের তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ এই জনসভায় উপস্থিত থাকবেন। রাজশাহী বিএনপির প্রাণকেন্দ্র, এখানকার মানুষ ‘ধানের শীষ’ ছাড়া কিছু ভাবেই না। আমরা বিজয়ের দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে দীর্ঘ সময় পর রাজশাহীতে তারেক রহমানের আগমন বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে। দলীয় নেতারা মনে করেন, এই সমাবেশ রাজশাহী ও আশপাশের তিন জেলায় বিএনপির নির্বাচনি শক্তিকে ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করবে এবং ভোটারদের মধ্যে দলীয় মনোবল বাড়াবে। এর ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিভাগের ১৩টি আসনে এই বৃহৎ সমাবেশ দলটির জন্য ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ সর্বশেষ ২০০৫ সালে দলীয় কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তারেক রহমান রাজশাহীতে এসেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এই প্রথম ভোটের প্রচারে সরাসরি মহানগরীতে আসার ফলে দল ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জের প্রার্থীদের জন্য একযোগে এই মহাসমাবেশ বিএনপির ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে দল ও অঙ্গসংগঠন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।


ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।