শেয়ার বাজার

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদের দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০২৪

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদের দাফন সম্পন্ন

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেগচামী খান বাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মেগচামী স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ (৮২) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) যোহর বাদ মেগচামী খান বাড়ী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন আহমেদ অনিকের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। এসময় মধুখালী উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশীদ আলম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এরপর জানাজার নামাজ শেষে তাকে খান বাড়ী পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মীরপুরস্থ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে যান। তাঁর একমাত্র সন্তান যুবরাজ খান বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন। 


মজুত করা ১ লাখ ৪২ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ, ৬ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল, ২০২৬

মজুত করা ১ লাখ ৪২ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ, ৬ লাখ টাকা জরিমানা

ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার ১৭৩ লিটার ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক মজুত শনাক্ত করেছে র‍্যাব। অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত সমন্বিত অভিযানে মোট ৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১ লাখ ৪২ হাজার ১৭৩ লিটার ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক মজুত শনাক্ত করা হয়। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

র‍্যাব-৭ এর তত্ত্বাবধানে ফেনী জেলার রামপুরার তাকিয়া রোড এলাকায় যৌথ অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা ৩০ হাজার লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুইটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নরসিংদীর সদরেও অভিযান চালিয়ে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ও মদিনা ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ৫ হাজার ও ২০ হাজার লিটার তেল অবৈধভাবে মজুত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা সদরে সাধু স্টোর ও হাজী ট্রেডার্সের মালিকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মজুত, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ, লাইসেন্স না থাকা এবং বৈধ রসিদ প্রদর্শনে ব্যর্থতার অভিযোগে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বাগেরহাটের চুলকাটি বাজারে মেসার্স রাজ স্টোরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ হাজার ৪০০ লিটার তেল মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মো. মঈনের গুদামে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০০ লিটার অবৈধভাবে মজুত তেল পাওয়া যায়। বিএসটিআই লাইসেন্স ও মান নিয়ন্ত্রণ সনদ না থাকায় তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া সদরে বাবুল পাল স্টোরে ৫ হাজার ৫৭৩ লিটার তেল মজুতের অভিযোগে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইভাবে মৌলভীবাজারে মৌলভী ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারিতে তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি না করে মজুত রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী আরও জানান, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং ভোক্তাদের ভোগান্তি রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযান চলমান রয়েছে।


কেশরহাটে অনুমোদনহীন সমিতির উচ্চ সুদে সর্বশান্ত অনেক পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

কেশরহাটে অনুমোদনহীন সমিতির উচ্চ সুদে সর্বশান্ত অনেক পরিবার

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে অনুমোদনহীন ব্যবসায়িক সমিতির আড়ালে চলছে উচ্চ হারে সুদের রমরমা ব্যবসা। সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অসহায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে চালানো হচ্ছে এই সুদের কারবার। বড় অংকের সুদের কারণে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিম্ন পর্যায়ের দিনমজুরেরা হচ্ছেন সর্বশান্ত ।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, কেশরহাট পৌরসভার গোপইল গ্রামের সাজ্জাদ মাষ্টারের ছেলে রাজু। একসময় ছিলেন মুদি দোকানদার। মুদি ব্যবসার আড়ালে তিনি ফেন্সিডিলের ব্যবসাও করতেন এবং নকল সিগারেট ও ফেন্সিডিল’সহ বেশ কয়েকবার আটকও হয়েছিলেন মোহনপুর থানায়।

এরপর তিনি কোন সনদপত্র না নিয়েই কেশরহাটে ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বসেন। সুদ বইয়ের মাধ্যমে রাজু তার অবৈধ দাদন ব্যবসাকে বৈধ দেখিয়ে মোহনপুর-কেশরহাটের সাধারন মানুষদের প্রতারিত করছেন। সাধারণ মানুষ প্রতারিত হলেও দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছে রাজু।

অতিরিক্ত সুদ আদায় এবং সরকারি আইন ভঙ্গ করলেও স্থানীয় সমবায় অফিস কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এবং অতিরিক্ত সুদ প্রদানের মাধ্যমে সর্বশান্ত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সুদ কারবারিরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেশরহাট বাজার সংলগ্ন মসজিদ মার্কেটে নামবিহীন অফিস খুলে সুদের ব্যবসা চালাচ্ছে এই ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’।

আরোও জানা যায়, সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু মোড়া অংকের লাভে ও ব্যাংক চেকের বিনিময়ে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা দেন। সুদের ব্যবসা করে এখন সে কোটিপতি। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন সাধারণ মানুষের কাছে সুদে দেওয়া রয়েছে তার।

ঋণ প্রদানে সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্প ও ব্ল্যাক চেক বইয়ের পাতা এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প রেখে দিচ্ছেন টাকা দেন তিনি। টাকা পরিশোধ করার পরও চেক বইয়ের পাতায় নিজেদের ইচ্ছা মত টাকা বসিয়ে আদালতে মামলা করে গ্রাহক হয়রানির বহু অভিযোগ রয়েছে এ সমিতির বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পরিচালক রাজু দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সমবায় অধিদপ্তরের সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করেই সদস্যদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুদ আদায়, সাদা চেক ও স্ট্যাম্প এর বিপরীতে ঋণ প্রদান করেন, এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

তথ্যনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মোহনপুর উপজেলার সমবায় অফিসের অধীনে নামে বেনামে অনেক সমিতি রয়েছে, এছাড়া সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত আরও শতাধীক সমিতি রয়েছে। যাদের অধিকাংশই চড়া সুদে ঋণ বিতরণ করে থাকেন। এর মধ্যে অন্যতম কেশরহাটে রাজুর ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’ লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠান। সমবায় সমিতি হিসেবে রেজিস্ট্রেশন না নিয়েও সমবায় অধিদপ্তরের কোন আইন কানুনই মানছে না প্রতিষ্ঠানটি।

কেশরহাট বাজারে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’এর পরিচালক রাজু লাভের ওপর এককালীন টাকা দিয়ে মাত্র এক মাস বা তিন মাস মেয়াদে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য করেন । এতে ঋণ নিয়ে চরম বিপদে পড়েছেন সাধারণ অসহায় মানুষ।

আরোও এক ব্যবসায়ী কান্নাস্বরে জানান, রাজুর কাছে সুদে ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা তাকে লাভ দিতেন। টাকা না দেওয়ার কারনে ওই সুদ ব্যবসায়ী তাকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী এখন অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। ব্যবসা বন্ধ করে নিজের জমি জমা বিক্রি করে ওই সুদ ব্যবসায়ীর টাকা দিতেও হিমসিম খেতে হচ্ছে তাকে।

শুধু তাই নই, রাজশাহীর সাহেব বাজারের আরোও এক ব্যবসায়ীর সাথেও প্রতারনা করে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা চিট করে নিয়েছে এই সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু। এরপর সেই ভুক্তভোগী কেশরহাট পৌরসভায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা আনিছা দেলোয়ারা আঞ্জু জানান, কেশরহাটে ‘সাফল্য সমবায় সমিতির’ কোন নিবন্ধন নাই। যেহেতু নিবন্ধন নাই সেহেতু কেউ যদি তার কাছে প্রতারিত হয় তাহলে এর জন্য আমরা দায়ী নই।

মোহনপুর উপজেলার ইউএনও আয়েশা সিদ্দিকা জানান, আমার এ বিষয়ে জানা ছিলোনা। বিস্তারিত আমি খোঁজ নিয়ে তদন্ত করে দেখবো এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হরিদাস মন্ডল জানান,এ বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ জানান, সাফল্য সমবায় সমিতির কোন ট্রেড সনদপত্র নেই। এ বিষয়ে আমি যতটুকু জানি রাজু একজন চিট। তার নামে অনেক অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে একজন ব্যক্তির মোটা অংকের টাকা প্রতারনা করে নেওয়ার লিখিত অভিযোগ পাওয়ায় তাকে আমি ডেকে এনে সময় সাপেক্ষে

পৌরসভাতেই মিমাংসা করে দেই। এই রাজুর খপ্পরে পরে যেন আর কেউ প্রতারিত না হয় সেইদিকে আমি খেয়াল রাখব।

এ বিষয়ে সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজুর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।


ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মার্চ, ২০২৪

ফরিদপুরের মধুখালীতে যুববকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের মধুখালীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবকে কুপিয়ে হত্যা, নিহত ব্যক্তির নাম নিজাম উদ্দিন (৩৫) নিজাম উদ্দিন উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের হাটঘাটা গ্রামের মানিক শেখের ছেলে। 

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১ টার দিকে নিজাম উদ্দিনের শ্বশুর বাড়ি থেকে তার শ্যালকসহ বেশ কয়েকজন নিজামের ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেয় এবং নিজাম উদ্দিনকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখন করে পালিয়ে যায়।

নিহত নিজাম উদ্দিনের ছোট ভাই আজিম উদ্দিন বলেন, আমার বড় ভাইকে তার শ্যালক আশুারুল, ইলিয়াস, মামুন, হারুনসহ বেশ কয়েকজন মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আমার ভাই নিজাম উদ্দিন তার শালিকা'কে নিয়ে ঝামেলা ছিলো শালিকাকে নিয়ে বেড়াতে যায় আমার ভাই তারপর তাকে নিয়ে রাতে আমাদের বাড়িতে চলে আসে এই খবর পেয়ে আমার ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে লোকজন শালিকাকে নিতে এসে ঘরে ঢুকে আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

নিহত নিজাম উদ্দিনের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন রয়েছে। তার শ্বশুর বাড়ি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দীঘলিয়া গ্রামে। রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিজাম উদ্দিনকে ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেবার পথে মারা যান তিনি।

সকালে হত্যার সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানা পুলিশ আসে পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এসে লাশের সুরতহাল করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এই বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মিরাজ হোসেন বলেন, সকালে তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এখনও পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেইনি অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।